মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলী

৪নং গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

ফুলছড়ি, গাইবান্ধা।

 

ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলী:

ইউনিয়ন পরিষদ এর কাযালী ০২ (দুই) ভাগে বিভক্ত- ০১. বাধ্যতামূলক কাযাবলী, ০২. ঐচ্ছিক কাযাবলী।

০১. বাধ্যতামূলক কাযাবলী:

* আইন-শৃংখলা রক্ষা করা এবং এ বিষয়ে প্রশাসনকে সহায়তা করা।

* অপরাধবিশৃংখলা এবং চোরাচালান দমনার্থে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

* কৃষি, বৃক্ষরোপণ, মৎস্য ও পশু পালন স্বাস্থ্য, কুটির শিল্প, সেচ যোগাযোগ।

* পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো।

* স্থানীয় সম্পদের উন্নয়নঘটানো এবং তার ব্যবহার নিশ্চিত করা।

* জনগণের সম্পত্তি যথা-রাস্তা, ব্রীজ, কালভার্ট, বাধ, খাল, টেলিফোন, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সংরক্ষণকরা।

* ইউনিয়নপর্যায়ে অন্যান্য সংস্থার উন্নয়ন কার্যাবলী পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজনেউপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট এ বিষয়ে সুপারিশ করা।

*  স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহ প্রদান করা।

*জন্ম-মৃত্যু, অন্ধ, ভিক্ষুক ও দুস্থদের নিবন্ধন করা।

*  সব ধরনের শুমারী পরিচালনা।

০২. ঐচ্ছিক কাযাবলী:

ইউনিয়ন পরিষদ (স্থানীয় সরকার) অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর প্রথম তপসিলের প্রথম খন্ডে ঐচ্ছিক কাযাবলী উল্লেখ করা হয়েছে। বিধি বা সময় সময় সরকারের নিদেশ অনুযায়ী এবং সংগতি অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ সকল বা যে কোন কায সম্পাদক করতে পারে। ঐচ্ছিক কাযাবলী হচ্ছে:

*জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষন করা।

*সরকারী স্থান, উন্মুক্ত জায়গা, উদ্যান ও খেলার মাঠ এর ব্যবস্থা ও রক্ষনাবেক্ষন করা।

*জনপথ ও রাজপথ ও সরকারী স্থানে আলো জালানো।

*কবরস্থান, শ্মশান ঘাট, জনসাধারণের সভার স্থান ও জনসাধারণের অন্যান্য সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করা।

*সাধারণ ভাবে গাছ লাগানো ও সংরক্ষণ এবং বিশেষ ভাবে জনপথ ও রাজপথ ও সরকারী জায়গায় গাছ লাগানো ও সংরক্ষন করা।

*পযটকদের থাকার ব্যবস্থা ও তা সংরক্ষন করা।

*জনপথ, রাজপথ এবং সরকারী স্থান নিয়ন্ত্রণ ও অণধিকার প্রবেশ রোধকরন।

*ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতার জন্য নদী, বন ইত্যাদির তত্ত্বাবধান, স্বাস্থ্যকর ব্যবস্থার উৎকষ সাধন এবং অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ।

*গোবর ও রাস্তার আবজনা সংগ্নহ, অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ।

*অপরাধমূলক ও বিপদজ্জনক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকরন।

*মৃত পশুর দেহ অপসারণ ও নিয়ন্ত্রণকরণ।

*পশু জবাই নিয়ন্ত্রণকরণ।

*ইউনিয়নে দালান নিমাণ ও পুন:নিমাণ নিয়ন্ত্রণকরণ।

*বিপদজ্জনক দালান ও সৌধ নিয়ন্ত্রণকরণ।

*কুয়া,পানি তোলার কল, জলাধার,পুকুর এবং পানি সরবরাহের অন্যান্য কাজের ব্যাস্থাকরণ ও সংরক্ষণ।

*খাবার পানির উৎস দূষিতকরণ রোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ।

*জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সন্দেহযুক্ত কূপ, পুকুর বা পানি সরবরাহের অন্যান্য স্থানের পানি ব্যবহার নিষিদ্ধকরন।

*খাবার পানির জন্য সংরক্ষিত কুপ, পুকুর বা পানির সরবরাহের অন্যান্য স্থানে বা নিকটবতী স্থানে গোসল, কাপড় কাচা বা পশুর গোসল নিষিদ্ধকরণ বা নিয়ন্ত্রণকরণ।

*পুকুর বা পানি সরবরাহের অন্যান্য স্থানে বা নিকটবতী স্থানে শন, পাট বা অন্যান্য গাছ ভিজানো নিষিদ্ধকরণ।

*আবাসিক এলাকার মধ্যে চামড়া রং করা বা পাকা করা নিষিদ্ধকরণ বা নিয়স্ত্রণকরণ।

*আবাসিক এলাকার মাটি খনন করে পাথর বা অন্যান্য বস্তু উত্তোলন নিষিদ্ধকরণ।

*আবাসিক এলাকার ইট, মাটির পাত্র বা অন্যান্য ভাটি নিমাণ নিষিদ্ধকরণ বা নিয়ন্ত্রণকরণ।

*গৃহ পালিত পশু বা অন্যান্য পশু বিক্রয়ের তালিকাভূক্তিকরণ।

*মেলা ও প্রদশনীয় আয়োজন।

*জনসাধারণের উৎসব পালন।

*অগ্নি, বন্যা, শিলাবৃষ্টিসহ ঝড়, ভূমিকম্প বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুযোগের তৎপরতার ব্যবস্থাকরণ।

*বিধবা, এতিম, গরীব ও দুঃস্থ ব্যক্তিদের সাহায্যকরন।

*খেলাধুলার উন্নতি সাধন।

*শিল্প ও সামাজিক উন্নয়ন, সমবায় আন্দোলন ও গ্রামীন শিল্পের উন্নয়ন সাধন ও উৎসাহ দান।

*বাড়তি খাদ্য উৎপাদনের ব্যবস্থা গ্রহন।

*পরিবেশ ব্যবস্থাপনার কাজ।

*গবাদি পশুর খোয়াড় নিয়স্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাকরণ।

*প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরন।

*ইউনিয়ন পরিষদের মত সদৃশ্য কাজে নিয়োজিত অন্যান্য সংস্থার সাথে সহযোগিতা।

*গ্রস্থাগার ও পাঠাগারের ব্যবস্থাকরণ।

*জেলা প্রশাসকের নিদেশক্রমে শিক্ষার উন্নয়নে সাহায্যকরন।

*ইউনিয়নের বাসিন্দ বা পরিদশনকারীদের নিরপত্তা, আরাম আয়েস বা সুযোগ সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ।

এছাড়া বিভিন্নসমস্যার সমাধান, গ্রাম আদালত, শালিস, উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, সরকারেরপরিকল্পনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সেবা প্রদান, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশসনদ, মৃত্যু সনদসহ বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র প্রদান, নিরাপদ পানি সরবরাহ, শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাস্তা-ঘাট, পুল-কালভার্টনির্মাণ ইত্যাদি।


Share with :

Facebook Twitter